দেলোয়ার জাহিদ

 

দেলোয়ার জাহিদকে নোটারী পাবলিক অব সাস্কাচুয়ান নিয়োগ
 

কুমিল্লা প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি, সমাজকন্ঠ সম্পাদক এবং হিউমান রাইটস এডভোকেট দেলোয়ার জাহিদকে কানাডার সাস্কাচুয়ান প্রদেশের মিনিষ্ট্রী অব জাষ্টিস এবং এটর্নী জেনারেল এপ্রিল ৩০, ২০১০ থেকে ৫ বছরের জন্য নোটারী পাবলিক অব সাস্কাচুয়ান হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন।

দেলোয়ার জাহিদ বাংলাদেশের তৃনমূলে মানবাধিকার আন্দোলনের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একজন কলম সৈনিক। একাত্তুরের বীর মুক্তিযোব্ধা।

কানাডা থেকে প্রকাশিত সমাজকন্ঠ ডট কম এর সম্পাদক। স্বৈরাচারী সামরিক সরকার কর্তৃক সমাজকন্ঠ তৎসময়ে বন্দ্ধকৃত, যা পুনঃ প্রকাশে হাইকোর্টে রীট আবেদন দাখিলের পর সরকারের উপর রুলনিশি ই্সু্ হয়। তিনি কর্ম জীবনে বাংলাদেশে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও জাতীয় সংবাদপত্রে নিয়মিত প্রবন্ধ, ফিচার ও স্তম্ভ লিখেন। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসাবে সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষন কর্মশালার আয়োজন, এবং প্রশিক্ষক হিসাবে ও দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৯৫ সাল থেকে দীর্ঘ প্রবাস জীবনে জার্মান এবং স্পেনে মানবাধিকার ইস্যুতে গবেষনা, ও সাংবাদিকতায় তিনি যথেষ্ট অবদান রাখেন এবং ইউরোপ থেকে কানাডায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। জার্মান ল’ অফিসে ৪ বছর তিনি ইমিগ্রেশান ও রিফিউজি ইস্যুতে কাজ করেছেন।

কানাডা’র সেন্ট পল্স কলেজ, ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবার রিসার্চ ফেলো হিসাবে (২০০৩-বর্তমান) তিনি সংযুক্ত রয়েছেন। রাজনীতি বিজ্ঞানে অধ্যাপনা, গবেষনা ও লেখালেখি ছাড়াও তিনি আইন এবং মানবাধিকার বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষন নেন। বিশ্বের অন্যতম কনফ্লিক্ট রেজুলিওশানের প্রফেসর ডঃ ডীন ই পীচি’র সহযোগি গবেষক হিসাবে তিনি সালিস -রুরাল ম্যাডিয়েশনের উপর কাজ করেন।

চিন্তার স্বাধীনতাঃ ধর্ম, মানবাধিকার ও সমসাময়িক রাজনীতি তার প্রথম নির্বাচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। মানবাধিকার বিষয়ে স্পেনীশ ভাষায় তার “একটি শুরুর যাত্রা” ই-বুক ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়। কানাডা সরকারের ইমিগ্রেশান ও রিফিউজি ইস্যুতে ইতিবাচক পরিবর্তন ও সংস্কার আনার জন্য তিনি ইমিগ্রেন্ট প্রফেশনালস অব ম্যানিটোবার সভাপতি নির্বাচিত হন (২০০৬-২০০৮) এবং দক্ষ পেশাদার ইমিগ্রেন্টদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করেন। শারীরিক অসুস্থতা সত্বেও প্রবাসে তিনি বিভিন্ন জনকল্যানমূলক কাজে নিজকে নিয়োজিত রাখতে চান। নোটারী পাবলিক অব সাস্কাচুয়ান হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্তি তার সে দায়িত্বে আরো একটি সংযোজন। ইমিগ্রেশান ও রিফিউজি ইস্যুতে কাজ করার জন্য সাস্কাচুয়ান প্রদেশের বৃহৎ সিটি সাস্কাটুনে তিনি বর্তমানে বসবাস করছেন।